প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
বিচারহীনতার সুযোগে আট বছরের রামিসাকে ধ/র্ষ/ণের/ পর মু/ণ্ডু কে/টে হ/ত্যা
নিজস্ব প্রতিনিধি:, নিজস্ব প্রতিনিধি:- ||
মাত্র আট বছর বয়স। ক্লাস টুতে পড়ুয়া অত্যন্ত মেধাবী এবং হাসিখুশি স্বভাবের মেয়ে রামিসা। বাবা-মায়ের চোখের মণি এই শিশুটির জীবনের প্রদীপ নিভিয়ে দেওয়া হয়েছে চরম পৈ/শা/চি/কতায়। ধ/র্ষ/ণে/র পর নি/র্ম/ম/ভাবে গ/লা কে/টে হ/ত্যা করা হয়েছে এই নিষ্পাপ শিশুকে। খাটের নিচ থেকে পা ধরে যখন রামিসার লা/শ/টা টেনে বের করা হচ্ছিল, তখন মেয়ের পরনের র/ক্ত/মাখা কাপড় দেখেই মা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। আর মধ্যবিত্ত পরিবারের অসহায় বাবা এখন তার আদরের মেয়ের একটি ছবি বুকে জড়িয়ে ধরে অনবরত কাঁদছেন। এই কান্নার কোনো সান্ত্বনা নেই, এই শূন্যতা পূরণের কোনো উপায় নেই।(অভিযুক্ত ঘাতক স্বামী-স্ত্রী)রামিসার এই করুণ মৃ/ত্যু/র পেছনে শুধু ঘাতক জাকির একাই দায়ী নয়, দায়ী আমাদের ঘুণে ধরা সমাজ ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি। জানা গেছে, রিকশার মেকানিক জাকিরের বিরুদ্ধে এর আগেও নাটোরে একই ধরনের অপরাধের মামলা হয়েছিল। কিন্তু টাকার জোরে, আইনের ফাঁকফোকর গলে সে অনায়াসে জামিনে বেরিয়ে আসে। সেই বিচারহীনতার সুযোগ নিয়েই সে আজ আরেকটা জলজ্যান্ত প্রাণ কেড়ে নিল। বিকৃত যৌ/না/চারের স্বাদ মেটাতে দুই মাস আগে বাসা ভাড়া নিয়ে সে রামিসাকে টার্গেট করেছিল। শিশুটি ধ/র্ষ/ণের কারণে অতিরিক্ত র/ক্ত/ক্ষ/রণে মা/রা যাওয়ার পর, লা/শ গু/ম করতে তার স্ত্রী স্বপ্নার সহায়তায় মা/থা কে/টে আলাদা করা হয়।আজ যদি রামিসা কোনো প্রভাবশালী এমপি বা মন্ত্রীর মেয়ে হতো, তাহলে হয়তো পুরো দেশে তোলপাড় লেগে যেত। রেড এলার্ট জারি করা হতো, রাস্তাঘাটে মিছিল, মিটিং আর বিক্ষোভের ঝড় উঠতো। প্রশাসনের ঘুম হারাম হয়ে যেত আসামিকে ধরার জন্য। কিন্তু রামিসা এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। তার বাবার কোনো ক্ষমতা নেই, নেই টাকার জোর। তাই হয়তো কিছুদিন পর এই খবরটাও পুরনো হয়ে যাবে।দেশে প্রতিদিন অসংখ্য শি/শু ধ/র্ষ/ণে/র শিকার হচ্ছে, শত শত মানুষ খু/ন হচ্ছে। অথচ দায়িত্বশীলরা অবলীলায় বলে চলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা নাকি সম্পূর্ণ ঠিকঠাক আছে! এই ‘ঠিকঠাক’ আইনশৃঙ্খলার দেশেই জাকিরের মতো নরপিশাচরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়, জামিন পেয়ে নতুন শিকার খোঁজে। আমরা সাধারণ মানুষ হয়তো কয়েকদিন আফসোস করে আবার সব ভুলে যাব। কিন্তু রামিসার বাবা-মা আমৃ/ত্যু ভুলতে পারবেন না সেই দৃশ্য— যেখানে তাদের আদরের ছোট্ট মেয়ের কা/টা মা/থা আর নিথর দেহ/ আলাদা করে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়েছিল। এই বিচারহীনতার শেষ কোথায়?
সম্পাদক: সুমন আহমেদ
প্রকাশক: রাসেল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত