ঢাকা    শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট

কিশোরগঞ্জে গরু গোসল করাতে গিয়ে নিখোঁজের ২ দিন পর কিশোরের ম/র/দেহ উদ্ধার



কিশোরগঞ্জে গরু গোসল করাতে গিয়ে নিখোঁজের ২ দিন পর কিশোরের ম/র/দেহ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের ইটনায় ধনু নদীতে গরু গোসল করাতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর আনাস (১৪) নামে এক কিশোরের ভাসমান ম/র/দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার এনসহিলা গ্রাম সংলগ্ন ধনু নদীর তীরে কিশোরটির ম/র/দেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে স্বজন ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে ম/রদে/হটি উদ্ধার করে।

নিহত আনাস উপজেলার কুর্শি গ্রামের বড়হাটি এলাকার মানিক মিয়ার একমাত্র ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ছয় বোনের মধ্যে আনাসই ছিল পরিবারের একমাত্র ছেলে সন্তান। তার মৃ/ত্যুতে পরিবারে চলছে আহাজারি আর শোকের মাতম।

নি/হ/তের স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে  গরুকে গোসল করাতে ধনু নদীতে যায় আনাস। একপর্যায়ে নদীর পানিতে নামার পর সে স্রোতের মধ্যে পড়ে যায়। সাঁতার না জানায় মুহূর্তের মধ্যে পানিতে তলিয়ে যায় কিশোরটি। সঙ্গে থাকা অন্যরা চিৎকার করে ডাকাডাকি করলে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও স্থানীয়রা দীর্ঘ সময় নদীতে তল্লাশি চালালেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজের পর থেকে পরিবারের সদস্যরা নদীর তীরে অপেক্ষা করছিলেন। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আশায় দুই দিন ধরে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অবশেষে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার ভোরে নদীর তীরে ভাসমান অবস্থায় আনাসের

ম/র/দেহটি ভাসতে দেখা যায়।

স্থানীয়রা জানান, ধনু নদীতে বর্ষামৌসুমে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতে স্রোতও বেশি থাকে। তাই এসময় এরকম দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে এসময় শিশু-কিশোরদের নদীতে নামা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

বাদলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আদিল উজ জামান ম/র/দেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ছেলেটি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে

ম/র/দেহটি উদ্ধার পর্যন্ত আমি পরিবারটির পাশে ছিলাম। এটি একটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। পরিবারের একমাত্র ছেলে সন্তানকে হারিয়ে তারা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছেন।

তিনি আরও বলেন, নদী এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে এসময় বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। সাঁতার না জানা শিশু-কিশোরদের নদীতে একা না পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে আনাসের মৃ/ত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়। প্রতিবেশী ও স্বজনরা বাড়িতে ভিড় করেন। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন তার মা। পরিবারের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো পরিবেশ।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬


কিশোরগঞ্জে গরু গোসল করাতে গিয়ে নিখোঁজের ২ দিন পর কিশোরের ম/র/দেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জের ইটনায় ধনু নদীতে গরু গোসল করাতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর আনাস (১৪) নামে এক কিশোরের ভাসমান ম/র/দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার এনসহিলা গ্রাম সংলগ্ন ধনু নদীর তীরে কিশোরটির ম/র/দেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে স্বজন ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে ম/রদে/হটি উদ্ধার করে।

নিহত আনাস উপজেলার কুর্শি গ্রামের বড়হাটি এলাকার মানিক মিয়ার একমাত্র ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ছয় বোনের মধ্যে আনাসই ছিল পরিবারের একমাত্র ছেলে সন্তান। তার মৃ/ত্যুতে পরিবারে চলছে আহাজারি আর শোকের মাতম।

নি/হ/তের স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে  গরুকে গোসল করাতে ধনু নদীতে যায় আনাস। একপর্যায়ে নদীর পানিতে নামার পর সে স্রোতের মধ্যে পড়ে যায়। সাঁতার না জানায় মুহূর্তের মধ্যে পানিতে তলিয়ে যায় কিশোরটি। সঙ্গে থাকা অন্যরা চিৎকার করে ডাকাডাকি করলে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও স্থানীয়রা দীর্ঘ সময় নদীতে তল্লাশি চালালেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজের পর থেকে পরিবারের সদস্যরা নদীর তীরে অপেক্ষা করছিলেন। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আশায় দুই দিন ধরে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অবশেষে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার ভোরে নদীর তীরে ভাসমান অবস্থায় আনাসের

ম/র/দেহটি ভাসতে দেখা যায়।

স্থানীয়রা জানান, ধনু নদীতে বর্ষামৌসুমে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতে স্রোতও বেশি থাকে। তাই এসময় এরকম দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে এসময় শিশু-কিশোরদের নদীতে নামা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

বাদলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আদিল উজ জামান ম/র/দেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ছেলেটি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে

ম/র/দেহটি উদ্ধার পর্যন্ত আমি পরিবারটির পাশে ছিলাম। এটি একটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। পরিবারের একমাত্র ছেলে সন্তানকে হারিয়ে তারা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছেন।

তিনি আরও বলেন, নদী এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে এসময় বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। সাঁতার না জানা শিশু-কিশোরদের নদীতে একা না পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে আনাসের মৃ/ত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়। প্রতিবেশী ও স্বজনরা বাড়িতে ভিড় করেন। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন তার মা। পরিবারের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো পরিবেশ।


দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট

<b>সম্পাদক:</b> সুমন আহমেদ<div>
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত