ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট

পঙ্গুত্ব নিয়ে ধুঁকছেন রাজশাহীর রিকশাচালক নকির, সমাজের কাছে চাইছেন সাহায্য



পঙ্গুত্ব নিয়ে ধুঁকছেন রাজশাহীর রিকশাচালক নকির, সমাজের কাছে চাইছেন সাহায্য

জীবনের টানা পঞ্চাশ বছর রিকশা চালিয়ে তিল তিল করে সংসার গুছিয়েছিলেন রাজশাহীর জামালপুর এলাকার বাসিন্দা নকির। কিন্তু পঁচাত্তর বছর বয়সে এসে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ তিনি চরম অসহায়। গত ছয় বছর ধরে প্যারালাইসিসের কারণে একটি হাত ও একটি পা সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে যাওয়ায় তিনি এখন পুরোপুরি শয্যাশায়ী। রাজশাহী মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে অন্যের জমিতে একটি জরাজীর্ণ ঘরে স্ত্রী হাসনা বানুকে নিয়ে তার বসবাস। দীর্ঘ ত্রিশ বছর ধরে এই ঠিকানাতেই তারা মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নিয়েছেন। তাদের দুই সন্তান থাকলেও স্বল্প আয়ের অজুহাতে তারা বয়োবৃদ্ধ পিতামাতার পাশে দাঁড়াননি। বর্তমানে পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব পালন করছেন নকিরের স্ত্রী। হাসনা বানু অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করে মাসে যে চার হাজার টাকা পান, তা দিয়ে সংসার চালানো প্রায় অসম্ভব। স্বামীর চিকিৎসার খরচ মেটাতেই আয়ের বড় একটি অংশ ফুরিয়ে যায়। তাই খাবার জোটে কোনোমতে একবেলা। এই চরম দুর্দশার মধ্যে নকিরের একটাই ছোট স্বপ্ন, একটি হুইলচেয়ার। একটি হুইলচেয়ার পেলে তিনি এই বদ্ধ ঘরের জীবন থেকে কিছুটা হলেও হাঁফ ছেড়ে বাঁচতে পারতেন। একটু সাহায্য ও সহানুভূতি পারে এই মানুষটিকে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখাতে, তাই সবাই এগিয়ে আসুন তার সাহায্য করার এই আহ্বানে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


পঙ্গুত্ব নিয়ে ধুঁকছেন রাজশাহীর রিকশাচালক নকির, সমাজের কাছে চাইছেন সাহায্য

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬

featured Image

জীবনের টানা পঞ্চাশ বছর রিকশা চালিয়ে তিল তিল করে সংসার গুছিয়েছিলেন রাজশাহীর জামালপুর এলাকার বাসিন্দা নকির। কিন্তু পঁচাত্তর বছর বয়সে এসে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ তিনি চরম অসহায়। গত ছয় বছর ধরে প্যারালাইসিসের কারণে একটি হাত ও একটি পা সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে যাওয়ায় তিনি এখন পুরোপুরি শয্যাশায়ী। রাজশাহী মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে অন্যের জমিতে একটি জরাজীর্ণ ঘরে স্ত্রী হাসনা বানুকে নিয়ে তার বসবাস। দীর্ঘ ত্রিশ বছর ধরে এই ঠিকানাতেই তারা মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নিয়েছেন। তাদের দুই সন্তান থাকলেও স্বল্প আয়ের অজুহাতে তারা বয়োবৃদ্ধ পিতামাতার পাশে দাঁড়াননি। বর্তমানে পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব পালন করছেন নকিরের স্ত্রী। হাসনা বানু অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করে মাসে যে চার হাজার টাকা পান, তা দিয়ে সংসার চালানো প্রায় অসম্ভব। স্বামীর চিকিৎসার খরচ মেটাতেই আয়ের বড় একটি অংশ ফুরিয়ে যায়। তাই খাবার জোটে কোনোমতে একবেলা। এই চরম দুর্দশার মধ্যে নকিরের একটাই ছোট স্বপ্ন, একটি হুইলচেয়ার। একটি হুইলচেয়ার পেলে তিনি এই বদ্ধ ঘরের জীবন থেকে কিছুটা হলেও হাঁফ ছেড়ে বাঁচতে পারতেন। একটু সাহায্য ও সহানুভূতি পারে এই মানুষটিকে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখাতে, তাই সবাই এগিয়ে আসুন তার সাহায্য করার এই আহ্বানে।


দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট

<b>সম্পাদক:</b> সুমন আহমেদ<div>
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত