ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট

কাপাসিয়ার চাঞ্চল্যকর পাঁচ হ/ত্যা মামলার অবসান, ঘা/ত/ক ফোরকানের লা/শ উদ্ধার



গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে নৃ/শং/স/ভাবে হ/ত্যা/র পর থেকেই নিখোঁজ ছিল ফোরকান মোল্লা। পুলিশের ধারণা ছিল, অনুশোচনা বা গ্রেপ্তার আতঙ্কে সে আ/ত্ম/হ/ত্যা করে থাকতে পারে। অবশেষে সেই ধারণাই সত্যি হলো। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে পদ্মা নদীর লৌহজং উপজেলা অংশ থেকে ভাসমান অবস্থায় ফোরকানের ম/র/দেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। এই উদ্ধারের মাধ্যমে দেশের অন্যতম আলোচিত এক হ/ত্যা মামলার প্রধান আসামির জীবনের যবনিকাপাত ঘটলো।https://www.facebook.com/share/v/1CFYyxpzsM/

গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন এক সংবাদ সম্মেলনে ফোরকানের

আ/ত্ম/হ/ত্যা/র আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। মূলত গত সোমবার (১১ মে) মেহেরপুরে বাসের এক হেলপারের কাছ থেকে ফোরকানের মোবাইল ফোনটি উদ্ধারের পর তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ হয়। ওই হেলপার পুলিশকে জানান, ফোনটি তিনি পদ্মা সেতু থেকে কুড়িয়ে পেয়েছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে।

সিসিটিভি ফুটেজে এক রোমহর্ষক দৃশ্য দেখতে পায় পুলিশ। ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাকার পল্টন এলাকার একটি রেন্ট-এ-কার থেকে ভাড়া করা প্রাইভেটকার যোগে পদ্মা সেতুতে পৌঁছায় ফোরকান। চালককে সে আত্মীয়ের মৃ/ত্যু/র মিথ্যা অজুহাত দিয়ে গাড়িটি ভাড়া করেছিল। সেতুতে নেমে সে তার মোবাইল ফোনটি ফুটপাতে রাখে এবং কয়েক মিনিট পর সোজা নদীতে ঝাঁপ দেয়। মামলার বাদী নি/হ/ত শারমিনের বাবা এবং ফোরকানের ভাই জব্বারকে ভিডিওটি দেখালে তারা অবয়ব দেখে ফোরকানকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেন।

অবশেষে শনিবার লৌহজং ভূমি অফিস সংলগ্ন পদ্মায় একটি লা/শ ভাসতে দেখে স্থানীয় জনগণ নৌ পুলিশকে অবহিত করে। খবর পেয়ে মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইলিয়াসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল লা/শ/টি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে কাপাসিয়া থানা পুলিশ এবং ফোরকানের পরিবারের সদস্যরা

লা/শে/র পরিচয় নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ মে দিবাগত রাতে কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামে এই

পৈ/শা/চি/ক হ/ত্যা/কা/ণ্ডের ঘটনা ঘটে। নি/হ/তরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া। নি/র্ম/ম এই হ/ত্যা/কা/ণ্ডে দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পায়নি পুলিশ। ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য লা/শ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর মাধ্যমে একটি নৃ/শং/স অধ্যায়ের সমাপ্তি হলেও, ৫টি তাজা প্রাণের অকাল মৃ/ত্যু সমাজে এক গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


কাপাসিয়ার চাঞ্চল্যকর পাঁচ হ/ত্যা মামলার অবসান, ঘা/ত/ক ফোরকানের লা/শ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬

featured Image

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে নৃ/শং/স/ভাবে হ/ত্যা/র পর থেকেই নিখোঁজ ছিল ফোরকান মোল্লা। পুলিশের ধারণা ছিল, অনুশোচনা বা গ্রেপ্তার আতঙ্কে সে আ/ত্ম/হ/ত্যা করে থাকতে পারে। অবশেষে সেই ধারণাই সত্যি হলো। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে পদ্মা নদীর লৌহজং উপজেলা অংশ থেকে ভাসমান অবস্থায় ফোরকানের ম/র/দেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। এই উদ্ধারের মাধ্যমে দেশের অন্যতম আলোচিত এক হ/ত্যা মামলার প্রধান আসামির জীবনের যবনিকাপাত ঘটলো।https://www.facebook.com/share/v/1CFYyxpzsM/

গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন এক সংবাদ সম্মেলনে ফোরকানের

আ/ত্ম/হ/ত্যা/র আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। মূলত গত সোমবার (১১ মে) মেহেরপুরে বাসের এক হেলপারের কাছ থেকে ফোরকানের মোবাইল ফোনটি উদ্ধারের পর তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ হয়। ওই হেলপার পুলিশকে জানান, ফোনটি তিনি পদ্মা সেতু থেকে কুড়িয়ে পেয়েছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে।

সিসিটিভি ফুটেজে এক রোমহর্ষক দৃশ্য দেখতে পায় পুলিশ। ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাকার পল্টন এলাকার একটি রেন্ট-এ-কার থেকে ভাড়া করা প্রাইভেটকার যোগে পদ্মা সেতুতে পৌঁছায় ফোরকান। চালককে সে আত্মীয়ের মৃ/ত্যু/র মিথ্যা অজুহাত দিয়ে গাড়িটি ভাড়া করেছিল। সেতুতে নেমে সে তার মোবাইল ফোনটি ফুটপাতে রাখে এবং কয়েক মিনিট পর সোজা নদীতে ঝাঁপ দেয়। মামলার বাদী নি/হ/ত শারমিনের বাবা এবং ফোরকানের ভাই জব্বারকে ভিডিওটি দেখালে তারা অবয়ব দেখে ফোরকানকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেন।

অবশেষে শনিবার লৌহজং ভূমি অফিস সংলগ্ন পদ্মায় একটি লা/শ ভাসতে দেখে স্থানীয় জনগণ নৌ পুলিশকে অবহিত করে। খবর পেয়ে মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইলিয়াসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল লা/শ/টি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে কাপাসিয়া থানা পুলিশ এবং ফোরকানের পরিবারের সদস্যরা

লা/শে/র পরিচয় নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ মে দিবাগত রাতে কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামে এই

পৈ/শা/চি/ক হ/ত্যা/কা/ণ্ডের ঘটনা ঘটে। নি/হ/তরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া। নি/র্ম/ম এই হ/ত্যা/কা/ণ্ডে দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পায়নি পুলিশ। ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য লা/শ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর মাধ্যমে একটি নৃ/শং/স অধ্যায়ের সমাপ্তি হলেও, ৫টি তাজা প্রাণের অকাল মৃ/ত্যু সমাজে এক গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে।


দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট

<b>সম্পাদক:</b> সুমন আহমেদ<div>
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত