ঢাকা    শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট

ঠাকুরগাঁওয়ের একাত্তরের বীরাঙ্গনা শ্রী টেপরী রানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়



ঠাকুরগাঁওয়ের একাত্তরের বীরাঙ্গনা শ্রী টেপরী রানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়

মহান মুক্তিযুদ্ধের নির্যাতিত সাহসী নারী ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বীরাঙ্গনা শ্রী টেপরী রানী আর নেই। তাঁর মৃত্যুতে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের বলিদ্বারা গ্রামে নিজ বাসভবনে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে পারিবারিক শ্মশানে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাতিজা বেগম, স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উপস্থিত বক্তারা বলেন, শ্রী টেপরী রানী ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক সাহসী অধ্যায়। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারণ করে গেছেন।

স্বাধীনতার পর জাতির পিতা Sheikh Mujibur Rahman যুদ্ধকালীন নির্যাতনের শিকার নারীদের ‘বীরাঙ্গনা’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তাঁদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রাম বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শ্রী টেপরী রানীর মৃত্যুতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁর জীবনসংগ্রাম ও দেশপ্রেম নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার প্রেরণা জোগাবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬


ঠাকুরগাঁওয়ের একাত্তরের বীরাঙ্গনা শ্রী টেপরী রানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

মহান মুক্তিযুদ্ধের নির্যাতিত সাহসী নারী ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বীরাঙ্গনা শ্রী টেপরী রানী আর নেই। তাঁর মৃত্যুতে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের বলিদ্বারা গ্রামে নিজ বাসভবনে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে পারিবারিক শ্মশানে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাতিজা বেগম, স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উপস্থিত বক্তারা বলেন, শ্রী টেপরী রানী ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক সাহসী অধ্যায়। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারণ করে গেছেন।

স্বাধীনতার পর জাতির পিতা Sheikh Mujibur Rahman যুদ্ধকালীন নির্যাতনের শিকার নারীদের ‘বীরাঙ্গনা’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তাঁদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রাম বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শ্রী টেপরী রানীর মৃত্যুতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁর জীবনসংগ্রাম ও দেশপ্রেম নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার প্রেরণা জোগাবে।


দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট

<b>সম্পাদক:</b> সুমন আহমেদ<div>
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক এস এইচ এন্টারটেনমেন্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত